ইমতিয়াজ উদ্দীন রায়পুর,লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি। 


রায়পুরের বাজার গুলোতে শীতকালীন সবজি আসা শুরু করেছে। আর শীতকালীন সবজির দাম অনেক কমে অর্ধেকে নেমেছে। যার ফলে স্বস্তি ফিরেছে ক্রেতাদের মাঝে। তবে এমন কিছু সবজির দাম কমেনি এখনো যেমন, আলুর,। সর্ববৃহৎ পাইকারি বাজার রায়পুর পৌর কাচাঁ সবজি বাজার। সে বাজার বিভিন্ন প্রকারের শীতকালীন সবজির সমাহার। চারপাশে সবজি আর সবজি। জেলা কৃষি সম্পসারণ অধিদপ্তর বলছে ভারী বর্ষন ও বন্যায় চলতি রবি মৌসমে শীতকালীন শাক সবজির কোন ক্ষতি হয়নি। ফলে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ফলন বেশি হতে পারে।

সরেজমিনে বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গত সপ্তাহে ১২০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া শিমের কেজি ৫০-৬০ টাকায় নেমে এসেছে। বাজারে ফুলকপির সরবরাহ যেমন বেড়েছ তেমনি কিছুটা বড় আকারের ফুলকপিও আসছে। গত সপ্তাহে ছোট একটি ফুলকপি বিক্রি হয় ৩০ থেকে ৫০ টাকায়। এখন তার চেয়ে বড় ফুলকপি ৩০ থেকে ৫০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে। আর ছোট ফুলকপি ২০ টাকা দিয়ে পাওয়া যাচ্ছে। গত সপ্তাহে ৫০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া মুলা এখন ২০ থেকে ৩০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে। শীতের সবজির দাম কমলেও আগের মতো চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে গাজর ও পাকা টমেটো। বাজার ও মান ভেদে গাজরের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ১০০ টাকায়। এদিকে সপ্তাহের ব্যবধানে বরবটির দাম কিছুটা কমে ৫০ থেকে ৬০ টাকা মধ্যে কেজি বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে বরবটির কেজি ছিল ৮০ থেকে ১০০ টাকা। ৮০ থেকে ১১০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া বেগুনের দাম কমে ৪০ থেকে ৬০ টাকার মধ্যে চলে এসেছে। দাম কমার এ তালিকায় রয়েছে ঢেঁড়স, ঝিঙা, পটল ও কচুরলতি। ঢেঁড়সের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকায়, যা গত সপ্তাহে ছিল ৭০ থেকে ৯০ টাকা। পটলের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকায়, যা গত সপ্তাহে ছিল ৬০ থেকে ৮০ টাকা। এদিকে সরকার দুই দফায় দাম বেঁধে দিলেও এখনও আলুর কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা। সরকার প্রথমে খুচরা পর্যায়ে আলুর কেজি সর্বোচ্চ ৩০ টাকা এবং পরবর্তীতে ৩৫ টাকা বেঁধে দেয়। বাজারে আসা নতুন আলুর কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, এখন সবজির ভরা মৌসুম থাকায় সরবরাহ বাড়ছে। এটি অব্যাহত থাকলে আগামী কয়েকদিনের মধ্যে সবজির দাম আরো কমবে।
কোয়েলিয়া বিশ্বাস তমা নামে এক স্কুল শিক্ষিকা সবজি কিনছেন রায়পুর পৌর খুচরা বাজার থেকে। তিনি বলেন, বর্তমানে নতুন করে শীতকালীন সবজি উঠতে শুরু করায় বাজারে সবজির সরবরাহ ব্যাপক হারে বেড়েছে। যার কারণে সবধরনের সবজির দাম কমে গেছে। এছাড়াও আগে সবজির দাম বেশি হওয়ায় মানুষ কেনা কমিয়ে দিয়েছিল, যেখানে এক কেজি লাগতো সেখানে আড়াইশ গ্রাম

Sharing is caring!