এসএনবি নিউজ ডেস্ক:


নারায়ণগঞ্জে মসজিদে এসি বিস্ফোরণে চিকিৎসাধীন ৫-৬ জনের অবস্থা এখনো আশঙ্কাজনক। বিস্ফোরণের পর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ৩৭ জনকে আনা হয়েছিল। দুর্ভাগ্যজনক এর মধ্যে ২৪ জন মারা গেছেন। বাকিদের মধ্যে ৫-৬ জনের শ্বাসনালি পুড়ে গেছে। তারা আইসিইউতে আছেন। প্রধানমন্ত্রী তাদের সার্বক্ষণিক খোঁজ রাখছেন এবং পরামর্শ দিচ্ছেন।

আজ রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে দগ্ধদের দেখতে গিয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

হতাহতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে কিনা জানতে চাইলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে পরে আলাপ হবে, এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি।’ঘটনায় দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, এ ঘটনায় ‘অবহেলাজনিত মৃত্যুর’ কথা উল্লেখ করে ফতুল্লা থানায় মামলা হয়েছে। পাশাপাশি তিনটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।এ সময় উপস্থিত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান বলেন, আপাতত আহতদের চিকিৎসা-ওষুধপত্র এবং নিহতদের দাফনে ক্ষতিপূরণ দেয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয়ের দুর্যোগ বিষয়ক কমিটি বৈঠকে বসবে। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ নিয়ে ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করা হবে।শুক্রবার রাত পৌনে ৯টার দিকে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লার পশ্চিম তল্লা এলাকার বাইতুস সালাত জামে মসজিদে এসি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। মুহূর্তের মধ্যে মসজিদের ভেতরে থাকা প্রায় ৫০ জনের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। হুড়াহুড়ি করে বের হওয়ার চেষ্টা করেন তারা। তাদের মধ্যে দগ্ধ অবস্থায় ৩৭ জনকে উদ্ধার করে শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় ২৪ মৃত্যু হয়েছে।এদিকে প্রাথমিকভাবে এসি নয় গ্যাসলাইন থেকে মসজিদে বিস্ফোরণ ঘটেছে বলে জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফিন। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এ কথা জানান তিনি।এ ঘটনায় তিনটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এর মধ্যে ফায়ার সার্ভিস একটি, তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ একটি ও জেলা প্রশাসন একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।

Sharing is caring!