ইকবাল হোসেন কপিলমুনি প্রতিনিধি :


করোনা কালকে সামনে রেখে এবার উপজেলা প্রশাসনের নজর পড়েছে দক্ষিনাঞ্চলের অন্যতম প্রধান বানিজ্যিক কেন্দ্র কপিলমুনির প্রতি। দীর্ঘ দিন যাবৎ এখানকার ফল ব্যবসায়ীরা হাট-বাজারের বিভিন্ন অলি-গলি ও রাস্তার উপর বসে রীতিমত যানজট সৃষ্টি করে আসছিল। বিভিন্ন সময় স্থানীয় প্রশাসনের পাশাপাশি বিষয়টি মিডিয়ার সামনে আসলেও শেষ পর্যন্ত যানজট ঠেকাতে কার্যত কোন পদক্ষেপ নিতে পারছিলনা কেউ। অবশেষে করোনা মৌসুমে গণজমায়েত ঠেকাতে গিয়ে বিষয়টি লোকাল প্রশাসনের পাশাপাশি সচেতন সাধারণ মানুষের নজরে আসে।

এরপর বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে নিয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ আরাফাতুল আলমের নির্দেশে শুক্রবার(৫ জুন) সকাল ১১ টার দিকে উপজেলা কানুনগুহ মোজাম্মেল হক, সার্ভেয়ার কাওছার আলী ও কপিলমুনি তহশিলদার মোঃ জাকির হোসেন সরেজমিনে বাজার প্রদর্শনপূর্বক বাজারের চাউল পট্টির একটি অতিরিক্ত চাঁদনী ফল বাজার হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।

এসময় উপজেলা প্রশাসনের টিমটি চাঁদনীর জায়গা খালি করে দিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিয়েছেন বলেও জানান, স্থানীয় কপিলমুনি ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ইউএলএও মো: জাকির হোসেন। তিনি আরো বলেন, আগামী সোমবার (৮ জুন) ফল বিক্রেতাদের জন্য বরাদ্দকৃত চাঁদনিটিতে পূণর্বাসন করা হবে। এদিকে দীর্ঘ দিন পর হলেও ব্যস্ততম কপিলমুনিতে আলাদাভাবে ফল বাজার স্থাপনের খবরে ক্রেতা সাধারণের পাশাপাশি বিচ্ছিন্নভাবে (ভাসমান) ফল বিক্রেতারা খুশী হলেও খুশী হতে পারেননি দীর্ঘ দিন বাজারের অলি-গলি দখল করে বসা ফল বিক্রেতারা। যদিও তাদের কাছ থেকে পেছনের মূল দোকান মালিকরা আলাদাভাবে ভাড়া আদায় করত বলেও জানান , একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র

Sharing is caring!