ইয়ানূর রহমান :


জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ’মুজিববষর্’ উপলক্ষ্যে স্বাস্থ্য খাতকে এগিয়ে নেয়ার অঙ্গিকারে ও এমপি আফিল উদ্দিনের হস্তক্ষেপে যশোরের শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স স্বাস্থ্য সেবায় হয়ে উঠেছে প্রাণবন্ত। ফিরে পেয়েছে স্বাস্থ্য সেবার প্রকৃত মান। স্বাস্থ্য সেবার জন্য প্রয়োজনীয় জনবল না থাকলেও অতীতের তুলনায় বর্তমান স্বাস্থ্য সেবার মান ও পরিবেশ তলনামূলকভাবে সন্তসজনক।

উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ছাড়াও স্বাস্থ্য সেবার জন্য বর্তমানে এখানে ৫ জন মেডিকেল অফিসার, ১ জন হোমিও মেডিকেল অফিসার, ৬জন সহকারি সার্জন, ১ জন সহকারি ডেন্টাল সার্জন, ৪ জন কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার, ২৩ জন সিনিয়ার ষ্টাফনার্স ও ৪ জন মিডওয়াইফ আছে যা স্বাস্থ্য সেবার জন্য এখানে যথেষ্ট নয়। রোগী সেবার মান বাড়ানোর জন্য ইতিমধ্যে এমপি আফিল উদ্দিনের হস্তক্ষেপে অপারেশন থিয়েটার (ওটি) চালু করা হয়েছে। যা দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ ছিল।

কুষ্ঠ রুগীদের উন্নত চিকিৎসার জন্য জিন এক্সপার্ট মেশিন বসিয়ে চিকিৎসা সেবা দেয়া হচ্ছে। এক্স-রে বিভাগে পুরাতন মেশিন থাকা সত্বেও নতুন উন্নতমানের এক্স-রে মেশিন সংযোজন করে চিকিৎসা সেবার কাজ মান সন্তসজনক করে তুলেছে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ইউসুফ আলী।

রোগীদের জটিল রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় আল্ট্রাসনো মেশিন আনা হয়েছে যা রোগী সেবার জন্য প্রক্রীয়াধীন। আগের তুলনায় সরকারীভাবে বরাদ্দ অনেকাংশে বৃদ্ধি পাওয়ায় রোগীদের বাইরে থেকে ওষধ সংগ্রহ কমেছে ৮০ শতাংশ। চিকিৎসক সল্পতা থাকলেও এমপি আফিল উদ্দিনের দিক নির্দেনায় চলছে উন্নত মানের চিকিৎসা।

বর্তমানে বৈশি^ক মহামারিতেও চিকিৎসা সেবা থেকে শার্শার জনগন বঞ্চিত হয়নি। করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রুগীদের জন্য প্রয়োজনমত আইসোলেশন ও করেন্টাইন বিভাগের ব্যবস্থা ছিল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভবনে।

চিকিৎসা সেবার মান বাড়াতে ও নান্দনিক পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে বর্তমানে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভবন, রুগী ওয়ার্ড, অফিস ভবন ইত্যাদি নতুন করে সংস্কারের কাজ পুরাদমে এগিয়ে চলেছে। বর্তমানে এখানে ৫০ শয্যার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভবন থাকলেও সরকারিভাবে আরও নজরদারি বাড়ানো হলে এলাকার জনগণ স্বাস্থ্য সেবায় আরও একধাপ এগিয়ে থাকত বলে মনে করেন এলাকাবাসি।

উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ইউসুফ আলী বলেন, শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যে পরিমাণ জনবল প্রয়োজন তা না থাকায় রোগীদের মাঝে কাঙ্খিত সেবা দিতে পারছিনা। জনবল বাড়ানোর সাথে ওষুধের সরবরাহ, প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি, নান্দনিক পরিবেশ সৃষ্টিতে প্রয়োজনীয় অর্থ থাকলে রুগীর সেবার মান আরও বাড়ানো যাবে।

সংসদ সদস্য আলহাজ শেখ আফিল উদ্দিন বলেন, শার্শাবাসির চিকিৎসা সেবা বৃদ্ধির লক্ষে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেটি ৩৫ শয্যা থেকে উন্নিত করে ৫০ শয্যা করা হয়েছে। একই সাথে ব্যাপক হারে চিকিৎসা সামগ্রী সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে। জনবল বৃদ্ধি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

Sharing is caring!